![]() |
| জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সমাবেশ। ঢাকা |
জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করে ভারতকে করিডোর দেয়ার প্রতিবাদে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল আজ ২৯ শে জুন বিকেল পাঁচটায় ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ করে।জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল সম্পাদক ফয়জুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সদস্য দেলোয়ার হোসেন,বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মিতু সরকার, বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের সদস্য কাইয়ুম হোসেন ও বাংলাদেশ জয়ভীম ছাত্র-যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এবং মুক্তির মঞ্চ সংগঠক হেমন্ত দাস।
সভাপতির বক্তব্যে ফয়জুল হাকিম বলেন,
ভারত থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করেছেন ‘ট্রানজিট দিলে সমস্যা কি?’’ আমরা বলি, ট্রানজিট নয় -আপনি ভারতকে করিডোর দিয়েছেন।ভারতের রেলগাড়ি বাংলাদেশের উপর দিয়ে ভারতের অন্য অংশে যাবে।এই রেলগাড়ির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা সম্পূর্ণ ভারতের হাতে থাকবে।এই রেলগাড়িতে কি যাবে না যাবে,তা বাংলাদেশের জানার অধিকার থাকবে না।
ফয়জুল হাকিম আরও বলেন,
বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বিএসএফ গুলি করে প্রায়শই বাংলাদশী নাগরিক হত্যা করে চললেও সরকার তার প্রতিবাদ করে না।এখন হাসিনা সরকার ভারতের বিএসএফ এর সাথে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতের চরম হিন্দুত্ববাদী,মুসলিম ও দলিত বিদ্বেষী মোদী সরকারের সাথে বাংলাদেশের ‘রূপকল্প ২০৪১ ও ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭ ‘যৌথ ঘোষণা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের সংগ্রামী ঐতিহ্য বিরোধী।
দেলোয়ার হোসেন বলেন,
হাসিনা সরকার দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে ভারতের সেবায় নিয়োজিত আছে।৫৪ টি আন্তর্জাতিক অভিন্ন নদীর উপর পানির ন্যায্য হিসস্যা থেকে বাংলাদেশকে ভারত বঞ্চিত করে চলেছে। ২০১০ সাল থেকে ভারত তিস্তার পানি বন্টন নিয়ে চুক্তি না করে টালবাহানা করে চলেছে।
মিতু সরকার বলেন,
দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের দুশমন সাম্রাজ্যবাদী ভারত বাংলাদেশকে প্রতিবেশী মনে করে না।এরা বাংলাদেশকে গোলাম হিসেবে দেখে। ফেনী নদীর পানি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেয়ায় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল।
কাইয়ুম হোসেন বলেন,
বাংলাদেশকে ভারতের গোলাম বানানোর চক্রান্ত প্রতিরোধ করতে হবে।
হেমন্ত দাষ বলেন,
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে জনগণের ইতিহাস আর আওয়ামী লীগের বয়ানকৃত ইতিহাস এক নয়।আর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ভারতের কোনো দান নয়।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে মনে হয় তিনি ভারতের হয়ে কথা বলছেন!
হেমন্ত দাষ ভারতের মদদপুষ্ট ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার হটানোর সংগ্রাম জোরদার করার আহবান জানান।
