বিকেল ৩ টায় বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের কমরেডরা সমবেত হয়ে পথসভা শুরু করেন। বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি অরুপ মহাজন এর সঞ্চালনায় এবং বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন, চট্টগ্রাম মহানগর এর সভাপতি রাকিব উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উক্ত সংগঠনসমূহ এবং অন্যান্য ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের কমরেডরা।
বক্তারা মে দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন এবং বলেন যে বর্তমানে মে দিবসকে শোষক শ্রেণির রাষ্ট্র ও মালিকপক্ষ উৎসবের দিন বা শ্রমিক-মালিক বন্ধুত্বের বুলি আওড়ানোর দিন হিসেবে বেছে নিয়েছে। শোষক শ্রেণির প্রতারণাকে উন্মোচন করে চিরতরে শ্রেণি বৈষম্যের অবসান করে সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ অভিমুখে নয়াগণতান্ত্রিক বিপ্লব সফল করার লক্ষ্যেই মে দিবস বা আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী দিবস পালন করার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁরা বলেন, শ্রেণি সংগ্রাম না করে, শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে বিপ্লব সংঘটিত না করলে শ্রমিক-কৃষক-মধ্যবিত্ত-নারী-আদিবাসীসহ সকল নিপীড়িত জনগণের মুক্তি ঘটবে না। তথাকথিত স্বাধীনতার ৫৫ বছর হয়ে গেলেও এখনো প্রতিটি সরকারের আমলেই শ্রমিক হত্যা এবং অমানবিক শোষণ-নির্যাতন করা একটি স্বাভাবিক চিত্র ছিল, আছে এবং থাকবে। তথাকথিত উদারবাদী বিএনপি সরকার যতই কার্ড বানিয়ে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের কথা বলুক না কেন, তাদের এসব আশ্বাসের সত্যতা কতটুকু তা জনগণ ইতিমধ্যেই বুঝতে শুরু করেছেন।
তাঁরা আরও বলেন, বাংলাদেশের সকল নিপীড়িত শ্রেণি, জাতি ও জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে, মার্কসবাদ–লেনিনবাদ–মাওবাদের আদর্শে সজ্জিত হয়ে, বিপ্লবী রাজনীতিতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান। সভার সভাপতি রাকিব উদ্দীন এর সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে পথসভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
